প্রতিশ্রুতি খুঁজুন
বেসরকারি এয়ারলাইনসমূহকে নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় উৎসাহিত করা হবে এবং এভিয়েশন প্রযুক্তি ও কার্গো খাতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে এর রুট, ব্যবস্থাপনা ও সেবার মানে সংস্কার আনা হবে এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিধি বাড়ানো হবে
দেশের সকল বিমানবন্দরে নিরাপদ, সম্মানজনক ও হয়রানিমুক্ত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা হবে। টিকিট কালোবাজারি, জালিয়াতি ও অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ রোধ করা হবে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ হাবে রূপান্তরের পাশাপাশি বিভাগীয় বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং ডিজিটাল লজিস্টিক প্ল্যাটফর্ম ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে পরিণত করা হবে
পর্যায়ক্রমে এক ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী ঢাকাকে প্রধান আঞ্চলিক শহরগুলোর সাথে যুক্ত করার লক্ষ্যে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক (বুলেট ট্রেন) সংযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে
মেট্রোরেল ও দূরপাল্লার পরিবহনে শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ও ৬০ বছরের অধিক বয়স্কদের জন্য বিশেষ ছাড়
পরিবহন করিডোরগুলোতে নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এবং স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নত করা হবে
রেলওয়েকে জাতীয় পরিবহনের মেরুদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে প্রধান করিডোরগুলোতে বিদ্যুতায়ন ও ডাবল-লাইন নির্মাণ, দেশব্যাপী সমন্বিত নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোরেল ও আন্তর্জাতিক রেল সংযোগের মাধ্যমে রেল ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হবে
নদীবন্দরগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাড়িয়ে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনের জন্য নতুন টার্মিনাল তৈরি করা হবে
উপকূলীয় দ্বীপগুলোর সাথে মূল ভূ-খণ্ডের যোগাযোগ সহজ করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণসহ নতুন জাহাজ ও ফেরি চালু করা হবে
নির্দিষ্ট নদীপথগুলোকে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির 'ওয়াটার হাইওয়ে' ঘোষণা করে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশালসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক রিভার পোর্ট ও ইন্টারমোডাল টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে