প্রতিশ্রুতি খুঁজুন
ঢাকার উপর আন্তঃজেলা ট্রাফিকের চাপ কমাতে রিং রোড নেটওয়ার্ক, তার সাথে সংযুক্ত রেডিয়াল রোড দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
রিকশাচালকদের ফ্রি ট্রেইনিং করানো হবে এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
ঢাকার প্রধান সড়কে 'ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম (আইটিএস)'-এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে যানজট কমানো এবং শহরের সকল প্রান্তে পর্যাপ্ত সিসিটিভির মাধ্যমে জন-নিরাপত্তা বাড়ানো হবে।
ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ভালো করার লক্ষ্যে ঢাকা শহরে পরীক্ষামূলকভাবে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল চালু করা হবে।
বাজারে কারসাজি (ম্যানিপুলেশন), ইনসাইডার ট্রেডিং ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নারীদের সার্বক্ষণিক নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ঢাকার বিভিন্ন রুটে 'শুধুমাত্র নারী যাত্রী' বাস (পিংক বাস) চালু করা হবে।
মনোরেল ব্যবস্থা চালু করা হবে যার ফলে রাজধানী ও তার কাছাকাছি বিভিন্ন স্থানগুলোকে আরো সহজে ও নিরাপদে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে।
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক পরিচালনা বোর্ডে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হবে।
পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট স্থাপনসহ প্রবীণ নাগরিকদের বিশ্রাম সুবিধা প্রদান, সাশ্রয়ী মূল্যে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিটি মহানগরী ও জেলা শহরে 'সিটিজেন্স সার্ভিস কর্ণার' স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করে একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক নজরদারির আওতায় আনা হবে।
আয়কর মেলার মতো প্রতিবছর প্রতি উপজেলায় একবার মাসব্যাপী 'ভূমিসেবা মেলা' আয়োজন করা হবে।